ব্যথায় কেন এত আড়াল, সিরাজ? কয়েদি-জীবনের প্রহসনে ক্লান্ত; ক্লান্ত থেমে থাকা জখম; ক্লান্ত জনপ্রিয় হাসি...
সিরাজ, তুমিই বলো কেন এই নোট করে রাখা জীবন? আমার ভিতর যে, সে কে? কে সে? খোদাই করা সময় নিভৃত রাস্তায় চুমু এঁকে ফেরার হয়। আমার বড়ো শীত করে। ভয় করে। উপাদানহীন এক ঝড়ের ভ্রূ-মধ্যে রাজতিলক আঁকার চেষ্টায় জেগে থাকা। জেগে থাকা হারানো লিপির বুকে আঙুলের আদর রাখবো, তাই। সিরাজ, যতবার আমি এ-নামে ডাকি; পেছন থেকে কে যেন সামনে ছড়িয়ে রাখা নদীর মতো চুল সরিয়ে দেয়; কপালে তার ছোঁয়া লাগতে-না-লাগতেই উড়ে যায় সাদা পাখি...
সময় ফুরিয়ে এসেছে, অন্য সব হারিয়ে যাওয়ার মতোই। এখন স্বপ্নে আনন্দ লিখি। লিখে রাখি। লিখে রাখি তোমাকেও, সিরাজ! এ-লেখাও তো তেমনই। চৈত্রদিনের মতো। ভূতের নাচের মতো এগিয়ে যাওয়া জীবন নিয়ে আদৌ কতটুকু লেখা যায়!
ছায়াযাপনও যে লিখবো, সে-খড়কুটোটুকুও নেই, সিরাজ! মুখরাটুকুর দাহ শেষ। অন্তরায় জলের ঝাপটা...
Comments
Post a Comment